Inspiration:-
বাবার পেশা ছিল ইস্ত্রি করা | সেই ছেলে আজ JSW Steel-এর বড় কর্তা বিকাশ চৌধুরী | সিংহভাগ কৃতিত্ব তাঁর পালক বাবা মা প্রাক্তন ক্রিকেটার অরুণলাল এবং তাঁর স্ত্রীর |
বিকাশ বড় হয়েছেন ভবানীপুরের ফুটপাতে | সেখানেই ছিল বাবার লন্ড্রি-ঠেক | নিয়মিত জামাকাপড় আসত অরুণলালের বাড়ি থেকে | ফেরত দিতে যেত বালক বিকাশ | ক্রমশ নজর কেড়ে নিল এই বুদ্ধিদীপ্ত বালক | অরুণলালের স্ত্রী দেবযানী বুঝলেন‚ এর সম্ভাবনা অনেক দূর বিস্তৃত |বিকাশকে ইংরেজি সহ অন্যান্য বিষয় পড়াতে শুরু করলেন দেবযানী | রোজ তাঁর কাছে যাওয়ার একটা বড় আকর্ষণ ছিল দেবযানীর দেওয়া ঠান্ডা অরেঞ্জ স্কোয়াশ | সেই লোভেই কামাই করতেন না টিউশনি | ধীরে ধীরে বিকাশ হয়ে উঠলেন নিঃসন্তান লাল দম্পতির ছেলে |
লাল পরিবারের উদ্যোগে বিকাশ বারো বছর বয়সে ভর্তি হলেন জুলিয়েন ডে স্কুলে | তারপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি | সেখান থেকে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে কমার্স পড়া | বি. কম‚ এম. কম-এর পরে এহেন প্রতিভাবান ছাত্রের সহজেই জায়গা হয়ে যায় কলকাতার IIM কলেজে | ২০০০ সালে ক্যাট-এ সফল হওয়ার সুবাদে |
অরুণলালের উদ্যোগে ক্রিকেট এবং ফুটবলও খেলেছেন বিকাশ | কিন্তু কোনওটাই তাঁর ভাল লাগেনি | যতটা লেগেছিল সাদা-কালো বইয়ের পাতাগুলো |একাধিক সংস্থায় কাজ করার পরে বিকাশ আজ JSW Steel-এর অ্যাসোসিয়েট ভিপি | থাকেন মুম্বইয়ের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে | মাঝে মাঝে আসেন কলকাতায় | নিজের মনে হেঁটে যান ভবানীপুরের ফুটপাত দিয়ে | খুঁজতে থাকেন নিজের শৈশব |
জানেন অরুণ-দেবযানীর প্রতি ঋণ শোধ করতে পারবেন না | তবু যতটা পারা যায় | শিশুকন্যার নাম বিকাশ রেখেছেন অরুণিমা | পালক বাবা-মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে | নিজে ছোট গাড়িতে চাপলেও অরুণলাল এবং দেবযানীকে উপহার দিয়েছেন মার্সিডিজ | তাঁরা সাধারণ ফ্ল্যাট থেকে বাংলোতে শিফ্ট করার সময়েও পাশে দাঁড়িয়েছেন বিকাশ‚ যোগ্য সন্তান হয়ে |স্ত্রী কামনাকে জানিয়েছেন মধ্য তিরিশের বিকাশ | তাঁর জীবনের অর্ধেক আকাশ হল পালক বাবা-মা | যাঁরা তাঁকে জন্ম দেননি ঠিকই | কিন্তু করে তুলেছেন আলোর পথযাত্রী |
( সংগৃহীত , We The Teacher )
বাবার পেশা ছিল ইস্ত্রি করা | সেই ছেলে আজ JSW Steel-এর বড় কর্তা বিকাশ চৌধুরী | সিংহভাগ কৃতিত্ব তাঁর পালক বাবা মা প্রাক্তন ক্রিকেটার অরুণলাল এবং তাঁর স্ত্রীর |
বিকাশ বড় হয়েছেন ভবানীপুরের ফুটপাতে | সেখানেই ছিল বাবার লন্ড্রি-ঠেক | নিয়মিত জামাকাপড় আসত অরুণলালের বাড়ি থেকে | ফেরত দিতে যেত বালক বিকাশ | ক্রমশ নজর কেড়ে নিল এই বুদ্ধিদীপ্ত বালক | অরুণলালের স্ত্রী দেবযানী বুঝলেন‚ এর সম্ভাবনা অনেক দূর বিস্তৃত |বিকাশকে ইংরেজি সহ অন্যান্য বিষয় পড়াতে শুরু করলেন দেবযানী | রোজ তাঁর কাছে যাওয়ার একটা বড় আকর্ষণ ছিল দেবযানীর দেওয়া ঠান্ডা অরেঞ্জ স্কোয়াশ | সেই লোভেই কামাই করতেন না টিউশনি | ধীরে ধীরে বিকাশ হয়ে উঠলেন নিঃসন্তান লাল দম্পতির ছেলে |
লাল পরিবারের উদ্যোগে বিকাশ বারো বছর বয়সে ভর্তি হলেন জুলিয়েন ডে স্কুলে | তারপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি | সেখান থেকে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে কমার্স পড়া | বি. কম‚ এম. কম-এর পরে এহেন প্রতিভাবান ছাত্রের সহজেই জায়গা হয়ে যায় কলকাতার IIM কলেজে | ২০০০ সালে ক্যাট-এ সফল হওয়ার সুবাদে |
অরুণলালের উদ্যোগে ক্রিকেট এবং ফুটবলও খেলেছেন বিকাশ | কিন্তু কোনওটাই তাঁর ভাল লাগেনি | যতটা লেগেছিল সাদা-কালো বইয়ের পাতাগুলো |একাধিক সংস্থায় কাজ করার পরে বিকাশ আজ JSW Steel-এর অ্যাসোসিয়েট ভিপি | থাকেন মুম্বইয়ের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে | মাঝে মাঝে আসেন কলকাতায় | নিজের মনে হেঁটে যান ভবানীপুরের ফুটপাত দিয়ে | খুঁজতে থাকেন নিজের শৈশব |
জানেন অরুণ-দেবযানীর প্রতি ঋণ শোধ করতে পারবেন না | তবু যতটা পারা যায় | শিশুকন্যার নাম বিকাশ রেখেছেন অরুণিমা | পালক বাবা-মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে | নিজে ছোট গাড়িতে চাপলেও অরুণলাল এবং দেবযানীকে উপহার দিয়েছেন মার্সিডিজ | তাঁরা সাধারণ ফ্ল্যাট থেকে বাংলোতে শিফ্ট করার সময়েও পাশে দাঁড়িয়েছেন বিকাশ‚ যোগ্য সন্তান হয়ে |স্ত্রী কামনাকে জানিয়েছেন মধ্য তিরিশের বিকাশ | তাঁর জীবনের অর্ধেক আকাশ হল পালক বাবা-মা | যাঁরা তাঁকে জন্ম দেননি ঠিকই | কিন্তু করে তুলেছেন আলোর পথযাত্রী |
( সংগৃহীত , We The Teacher )



No comments:
Post a Comment