This bengali blog is unique and special health tips ,book,magazin,story are public

Breaking

Post Top Ad

Your Ad Spot

Thursday, 11 April 2019

Kudmi katha(কুড়মি কথা)


Kudmi katha
 Kudmi katha(কুড়মি কথা)
গতকাল আমি হরিবোল সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেছিলাম যে যাকে কেন্দ্র করে হরিনাম সংকীর্তন নিমকহারাম গোঁসাইরা তাকেই ভোগ দেয়না। তাতে অনেকেরেই মনে প্রশ্ন জাগবে বা জাগছে  সেটা কি করে সম্ভব, যাকে উদ্দেশ্য করে এই হরিনাম সংকীর্তন তার নামেই কোনো ভোগ নেই তাহলে হরিনামের ঐ ১০৮ ভোগ কাকে কাকে দেওয়া হয়? এবার তাহলে দেখে নেওয়া যাক সত্যি সত্যি শ্রীচৈতন্যদেব এর নামে কোনো ভোগ থাকে কি না? আমি বিভিন্ন বই অধ্যয়ন করে এবং অনেক জ্ঞানীগুণী ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে যতটুকু জেনেছি তাতে ঐ ১০৮ ভোগের মধ্যে
যুগল ভোগ---২টি(রাধাওকৃষ্ণ)
রুহিদাসের ভোগ--৩টি(হরিদাস,রুহিদাস,মনোহর দাস)
পঞ্চভূতের---৫টি(ক্ষিতি, অব,তেজ,মরুৎও বোম)
ব্রজের ৬জন শ্রেষ্ঠ গোঁসাই দের জন্যে ---৬টি(বল্লভ আচার্য,রূপ,সনাতন, শ্রীজীব,রঘুনাথ ভট্ট ও রঘুনাথ গোস্বামী)
অস্টবসুর---৮টি
দ্বাদশ রাখালের---১২টি
অস্টসখীর--৮টি
আর এই যে ৮ জন অস্টসখী আছে এই অস্টসখীর আবার ৮টি করে উপসখী রয়েছে এদের প্রত্যেকের নামেই একটি করে ভোগ অর্থাৎ সর্বমোট ৬৪ টি টা ভোগ দেওয়া হয়। তাহলে---
২+৩+৫+৬+৮+১২+৮+৬৪=১০৮টি
তাহলে যাকে উদ্দেশ্য করে হরিনাম সেই শ্রীচৈতন্যদেব কি অপরাধ করলো?
তাহলে পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছে যে মানুষ আবেগে উপরদিগে হাত তুলে যতই হরি হরি করুক না কেন তাতে ওই ঘরের আপেল,কলা,বাতাসা,দুধ,ঘি, চাল,চিড়া,টাকা,পয়সা অর্থাৎ নিজের আর্থিক অপচয় ছাড়া আর অন্যকিছুই হবে না এটা আমি জোরদিয়ে এবং চেলেঞ্জ করে বলছি। কিন্তু আমাদের কুড়মিদের আবেগটা দমে। এরা সবাই দুলাইন পড়াশুনা না করেই কোনো বিষয়ে বিশেষভাবে না জেনেই না শুনেই আড়ে ধুইনতে অর্থাৎ অযথা তর্ক করতে সবাই এক এক নাড়হা ত এক এক পর্বত। নিজের সজাতির সাথে লড়াই করতে বা তর্কবিতর্ক করতে সবাই মরদ সে কিছু জানুক চাই না জানুক। কিন্তু ঐ লোক গিলাই এখনো নিজের তুলসাপিঁঢ়ায়  নিজে পরাধীন। এমনিতে বিভিন্ন ভাবে অযথা তর্কবিতর্ক করে আর তারাই গোঁসাই এর ঐ জুঁঠাভোগটা (গঞ্জভোগ)পাবার জন্য হাউঠাঁই হামগুড়াঁই কি কইরব কি নাই করে মরে। নিজেরা কোনোদিন নিজের গরামথান,জাহিরাথান,কুদরাথান,নিজের বাবা মার কাছে মাথা নোয়াই না অথচ কোথাও কোনো মন্দির বা মরাহনুর মূর্তি দেখতে উপর দিগে পেছুটা দিঁয়ে ১৪বার ডণ্ডবৎ করে,হরিবোলের যেদিন ধুলইট হয় সেদিন গোঁসাই এর পায়ে গড়াগড়ি দিয়ে পায়ের ধুলাপর্যন্ত চাইটে উঠাঁই দিতে খুজে। বাছা মাথায় মুড়ে ভরভইটা করে সিন্দুর নিয়ে ঝাঁপাই চুইড়পে একাকার। অথচ ঐ গরাম পূজার দিনে ছাগল পাঁঠাটা ধরে নিয়ে যাওয়ার জন্যে লোক খুজে পাওয়া যায় না। আসলে অনেক কুড়মি এখনো জানেই না কোনটা তার বাপ আর কোনটা ফুলবাপ?? আর সেই জন্যেই নিজের বাপকে ছেড়ে ফুলবাপকে নিয়ে গাঁয়ে গাঁয়ে এত মাতামাতি।
লেখক-রবীন্দ্রনাথ মাহাত
Kudmi katha(কুড়মি কথা)  

1 comment:

Bengali love story

  Bengali love story হঠাৎ শরীর খারাপ হওয়ায় দাদাকে হাসপাতালে ভর্তি করে আমি ওয়ার্ডের বাইরে ডাক্তারবাবু আসার অপেক্ষা করছিলাম। পাশে তাড়াহুড়ো...

Post Top Ad

Your Ad Spot